সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গোপালগঞ্জে এস এ পরিবহনের কুরিয়ার সার্ভিস শাখায় পুলিশের অভিযান। ক্লেমনের উদ্যোগে গোবিপ্রবিতে ১ হাজার বৃক্ষরোপণ  গোপালগঞ্জে ৬৪ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার কোটালীপাড়ায় ৩ দিনের অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত। টুঙ্গিপাড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দখলদারদের পুকুর ভরাট, অভিযোগে ভুক্তভোগী। গোপালগঞ্জে ১৫ আগস্টকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার  সার্ক জার্নালিস্ট ফোরামের প্রতিনিধি দলের সাথে নেপালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের সাথে মতবিনিময়। গোপালগঞ্জের দুই শিক্ষক প্রাইভেট এবং গাইডবই অবৈধ হলেও পড়াবেন বলে সাংবাদিকদের চ্যালেঞ্জ করলেন সোনালী আঁশে ফিরছে  কৃষকের স্বপ্ন দুইটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার: চোর চক্রের দুই সদস্য আটক

গোপালগঞ্জে এস এ পরিবহনের কুরিয়ার সার্ভিস শাখায় পুলিশের অভিযান।

  • Update Time : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯.০৫ পিএম
  • ১০ জন সংবাদটি পড়েছেন
0-4064x3048-0-0-{}-0-12#;illum:2 scene:2 humanIn:0;

যুগকথা রিপোর্টারঃ

​গোপালগঞ্জ শহরের বিসিক ব্রিজ এলাকায় এস এ পরিবহন প্রাইভেট লিমিটেড কুরিয়ার সার্ভিস শাখায় অবৈধ অর্থ লেনদেন ও মাদক কারবারে সম্পৃক্ততার অভিযোগে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ ও ডিবি’র একটি যৌথ দল। রবিবার (২৩ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১:৩০ টা থেকে দুপুর ২:৩০ টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জ সদর সার্কেলের এএসপি সাখাওয়াত হোসেন ও এএসপি হাসানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে শাখাটির ম্যানেজার নূর মোহাম্মদ মঞ্জুকে হেফাজতে নিয়ে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একই সাথে কার্যালয় থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ লেনদেনের আলামত হিসেবে রশীদ বই , রেজিস্টার ও বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানিক পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুরিয়ার সেবার মাধ্যমে নগদ টাকা প্রেরণ সম্পূর্ণ বেআইনি হলেও এস এ পরিবহন দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার ভিত্তিক মাদক কারবারিদের সাথে জড়িতদের নিকট অর্থ প্রেরণ করে আসছিল। মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যদের গোপন রাখতে টাকা পাঠানোর সময় প্রেরকের কোনো পরিচয়পত্র বা জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সংগ্রহ করা হতো না। কার্যালয়ে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়াতে শাখা ম্যানেজার নূর মোহাম্মদ মঞ্জু নিজ বাসভবনে বসে এসব অবৈধ লেনদেন পরিচালনা করতেন। এসব টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আলাদা রশিদ বই ব্যবহার করা হয়।পুলিশের জব্দকৃত রশীদ বই ও রেজিস্টার পর্যালোচনা করে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এই গোপন ও বেআইনি পদ্ধতিতে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করা হয়েছে। একটি রশীদ বইয়ের একটিতে ৩৬ লাখ ও একটিতে ৩০ লাখ টাকার পাঠানোর তথ্য পাওয়া যায়। রশীদ বইয়ে প্রেরক ও প্রাপকের নাম-ঠিকানা লেখা থাকলেও মূল হোতাদের গ্রেফতার এবং তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তা এই মুহূর্তে প্রকাশ করছেন না। গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, এ চক্রের সাথে অন্য কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি বা মূল নির্দেশদাতারা জড়িত রয়েছে কি না, তা উদঘাটনে আটক ম্যানেজারকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

More News Of This Category
2504_jugokatha
© All rights reserved © 2026
IT Support By : JUGOKATHA