শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গোপালগঞ্জের দুই শিক্ষক প্রাইভেট এবং গাইডবই অবৈধ হলেও পড়াবেন বলে সাংবাদিকদের চ্যালেঞ্জ করলেন সোনালী আঁশে ফিরছে  কৃষকের স্বপ্ন দুইটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার: চোর চক্রের দুই সদস্য আটক কোটালীপাড়ায় জাল কাগজপত্র দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি: দুই দলিল লেখক সাময়িক বহিষ্কৃত টুঙ্গিপাড়ায় ফেসবুকে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিএনপি ও যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন আগস্ট উপলক্ষে গোপালগঞ্জে জেলা বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে ৫ আগস্ট ঘিরে বাড়তি নিরাপত্তা, মাঠে ৫ প্লাটুন বিজিবি গোপালগঞ্জে ২ হাজার ৩শত পিচ ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী র‌্যাব হাতে গ্রেফতার গোপালগঞ্জে ‘৩৬ জুলাই’ স্মারক তোরণে আগুন, আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত দর্শনা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ সোনার বারসহ পাচারকারী আটক

গোপালগঞ্জের দুই শিক্ষক প্রাইভেট এবং গাইডবই অবৈধ হলেও পড়াবেন বলে সাংবাদিকদের চ্যালেঞ্জ করলেন

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০.০৬ পিএম
  • ৮ জন সংবাদটি পড়েছেন

যুগকথা রিপোর্টারঃ
‌জেলা শহরে অবস্থিত গোপালগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাফিজুর রহমান এবং মো: শুকুর আহমেদের বিরুদ্ধে বিদ্যালয় কক্ষে প্রাইভেট পড়ানোসহ গাইড বই ক্রয়ে নির্দেশ দেয়া ও পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
ওই দুই সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার পর বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে সাংবাদিকরা গোপালগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে অভিযোগ সম্পর্কে সরেজমিন তদন্ত করতে গেলে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হন। তদন্তকালে সাংবাদিকরা শিক্ষক হাফিজুর রহমান শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াচ্ছেন এমন ছবি তুলতে সক্ষম হন। এসময় অপর শিক্ষক মো: শুকুর আহমেদ অন্য কক্ষে প্রাইভেট পড়াচ্ছিলেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি দৌড়ে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। তখন ঘড়ির কাটায় ৯ টা ৪৯ মিনিট।
শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের অভিযোগ ওই দুই শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট না পড়লে এবং কথামতো গাইড বই না কিনলে শ্রেণিকক্ষে বৈষম্যমুলক আচরন করেন এবং পরীক্ষার উত্তর পত্রে নম্বর কমিয়ে দেন।
এসব ব্যাপার নিয়ে ওই দুই শিক্ষক সম্পর্কে বিদ্যালয়টির সহকারী প্রধান শিক্ষক তরুন কান্তি বালার সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ে প্রাইভেট পড়ানো এবং গাইড বই আনা এবং পড়ানো নিষিদ্ধ। ওই দুই শিক্ষককে বারবার বলা হলেও তারা আমার বা প্রধান শিক্ষকের কথা শোনেননা।
সাংবাদিকরা যখন সহকারী প্রধান শিক্ষকের সাথে আলাপ করছিলেন তখন অভিযুক্ত সহকারি শিক্ষক হাফিজুর রহমান এবং মো: শুকুর আহমেদ একযোগে সহকারী প্রধান শিক্ষককে উপেক্ষা করে চিৎকার দিয়ে বলতে থাকেন, আপনারা বিদ্যালয়ে কি করা হয় তা দেখার কে। আমরা প্রাইভেট পড়াই, না গাইড পড়াই, তা দেখার লোক আছে। তারা মানা করেনা,আপনারা মানা করেন কেন? আমরা প্রাইভেট পড়াবো,গাইড পড়াবো, পারলে আপনারা ঠেকান। এখনই লেখেন, দেখি কে বন্ধ করতে আসে। যদি কিছু পারেন আমাদের বিরুদ্ধে করে দেখিয়েন।
এসময় সহকারী প্রধান শিক্ষক তরুন কান্তি উত্তেজিত দুই সহকারী শিক্ষককে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলেও ওই দুই শিক্ষক চিৎকার চেচামেচি অব্যাহত রাখেন।
পরে বিষয়টি সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: সেলিম তালুকদারকে অবহিত করলে এবং অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে প্রমানাদি হস্তান্তর করলে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন সাংবাদিকদের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

More News Of This Category
2504_jugokatha
© All rights reserved © 2026
IT Support By : JUGOKATHA