বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোবিপ্রবি’তে উৎসবমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপন। আয়োজনে গোবর্ণাঢ্যপালগঞ্জে পহেলা বৈশাখ উদযাপন বৈশাখী আনন্দে টেকেরহাটে ব্যবসায়ীদের শুভেচ্ছা জানালো ইউসিবি ব্যাংক অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা ইয়াবা ও গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গোবিপ্রবি’তে গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন গোপালগঞ্জে ৮ বছরেও হয়নি ডেন্টাল কলেজ; বেড়েছে প্রকল্প ব্যয় গোপালগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা  গোপালগঞ্জে সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে ব্যাপক দুর্নীতি: ২৪ লাখ টাকার হদিস নেই, ভোগান্তিতে ৯০০ পরিবার

অর্ধ-বেলাও অফিস করেন না গোবিপ্রবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের প্রোগ্রামার মুমিত

  • Update Time : সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ৯.০৭ পিএম
  • ২৭৯ জন সংবাদটি পড়েছেন
Oplus_131072

বিপ্র এন এম, গোবিপ্রবি প্রতিনিধি: অর্ধ-বেলাও অফিস না করার অভিযোগ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের প্রোগ্রামার আব্দুল মুমিতের বিরুদ্ধে। রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকালে গোবিপ্রবি প্রেসক্লাব সরেজমিনে তার অফিসে গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখেন তিনি অফিসে নাই। মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির নির্ধারিত সময় গড়িয়ে গেলেও সনদ উত্তোলন ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের দেখা যায় মুমিতের অপেক্ষায় লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে।

গোবিপ্রবিতে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কর্মঘণ্টার সময়সীমা, আর মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি দুপুর ১-২টা। তবে দুপুর সাড়ে ৩টা বাজলেও মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি শেষে অফিসে ফিরেন না মুমিত। অভিযোগ রয়েছে তিনি নিয়মিতই অফিসে আসেন দেরি করে এবং মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি ১ ঘন্টা হলেও তিনি বিরতি পালন করেন প্রায় ২ ঘন্টা মত। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তিনি অফিস না করে বাইরে আড্ডা দিয়ে সময় কাটান বেশি।

এছাড়াও শিক্ষার্থীদের সাথে অসদাচরণের বড় অভিযোগ রয়েছে এই প্রোগ্রামের বিরুদ্ধে। অফিসে না থাকা ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে তার অসদাচরণের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে দাবি জানান।

ইমরান আদনান নামের একজন শিক্ষার্থী জানান, এটা ওনার প্রতিদিনের কর্মকান্ড। আমার সার্টিফিকেট তোলার সময়ও একই অবস্থা ছিল।

হাবিবুর রহমান নামে অন্য শিক্ষার্থী বলেন, ওই প্রোগ্রামার কোনো শিক্ষার্থীকে মানুষ বলে মনে করে না! ওনার ব্যবহার প্রচুর খারাপ!

এ বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের প্রোগ্রামার আব্দুল মুমিত বলেন, আমি নিয়মিত অফিস করি। গতকাল পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক স্যার না থাকায় আমাকে অনেক কাজ করতে হয়েছে, তাই লাঞ্চে গেছি দেরিতে। শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করতে গিয়ে যদি নিউজ হয়, তো আর কি করার!

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক শিক্ষার্থী আমার কাছে দ্রুত সার্টিফিকেট নিতে আবদার করে, আমি আবদার রাখতে না পারলে খারাপ হয়ে যায়।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস.এম গোলাম হায়দার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন ও নতুন সার্টিফিকেট প্রদানের ক্ষেত্রে একটি মাত্র প্রিন্টার ও একজন প্রোগ্রামর থাকায় মুমিতের উপর চাপ হয়ে যায়। তাই সে মাঝেমধ্যে একটু রেস্ট নেয়, অনেকসময় কাজের চাপের কারণে নির্ধারিত সময়ে মধ্যাহ্ন ভোজ করতে পারে না, তাই অফিসে পাওয়া যায় না। আমরা আরেকটি প্রিন্টারের জন্য আবেদন করেছি, পাশাপাশি আরেকজন প্রোগ্রামার না হলেও একজন ভালো কম্পিউটার অপারেটর পেলে এই জটিলতা হ্রাস পাবে বলে আশা করি।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণের বিষয়ে গোলাম হায়দার বলেন, আমার দেখা চোখে সে ছেলে ভালো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

More News Of This Category
2504_jugokatha
© All rights reserved © 2026
IT Support By : JUGOKATHA