সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ওড়াকন্দির সুবর্না ঠাকুরকে নারী সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসাবে দেখতে সারাদেশের মতুয়ারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অ্যালামনাই কমিটির শুভ উদ্ভোদন পুলিশের গাড়ি খাদে, আহত ১২ আবারও সিংগাতির এরশাদ চৌধুরীরর তাণ্ডব, কৃষকের ঘরে আগুন দিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ। গোপালগঞ্জে নবনির্বাচিত ৩ সংসদ সদস্যকে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা  গোপালগঞ্জে উন্নয়নের মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে একযোগে মাঠে ৩ এমপি গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন- এম, পি, ডা. কে এম বাবর। গাইড বই কাণ্ডে তোলপাড় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ সম্মাননা পেলেন মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। মহান শহীদ দিবসে প্রেসক্লাব গোপালগঞ্জের পুষ্পস্তবক অর্পণ

অর্ধ-বেলাও অফিস করেন না গোবিপ্রবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের প্রোগ্রামার মুমিত

  • Update Time : সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ৯.০৭ পিএম
  • ২৪১ জন সংবাদটি পড়েছেন
Oplus_131072

বিপ্র এন এম, গোবিপ্রবি প্রতিনিধি: অর্ধ-বেলাও অফিস না করার অভিযোগ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের প্রোগ্রামার আব্দুল মুমিতের বিরুদ্ধে। রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকালে গোবিপ্রবি প্রেসক্লাব সরেজমিনে তার অফিসে গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখেন তিনি অফিসে নাই। মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির নির্ধারিত সময় গড়িয়ে গেলেও সনদ উত্তোলন ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের দেখা যায় মুমিতের অপেক্ষায় লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে।

গোবিপ্রবিতে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কর্মঘণ্টার সময়সীমা, আর মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি দুপুর ১-২টা। তবে দুপুর সাড়ে ৩টা বাজলেও মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি শেষে অফিসে ফিরেন না মুমিত। অভিযোগ রয়েছে তিনি নিয়মিতই অফিসে আসেন দেরি করে এবং মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি ১ ঘন্টা হলেও তিনি বিরতি পালন করেন প্রায় ২ ঘন্টা মত। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তিনি অফিস না করে বাইরে আড্ডা দিয়ে সময় কাটান বেশি।

এছাড়াও শিক্ষার্থীদের সাথে অসদাচরণের বড় অভিযোগ রয়েছে এই প্রোগ্রামের বিরুদ্ধে। অফিসে না থাকা ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে তার অসদাচরণের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে দাবি জানান।

ইমরান আদনান নামের একজন শিক্ষার্থী জানান, এটা ওনার প্রতিদিনের কর্মকান্ড। আমার সার্টিফিকেট তোলার সময়ও একই অবস্থা ছিল।

হাবিবুর রহমান নামে অন্য শিক্ষার্থী বলেন, ওই প্রোগ্রামার কোনো শিক্ষার্থীকে মানুষ বলে মনে করে না! ওনার ব্যবহার প্রচুর খারাপ!

এ বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের প্রোগ্রামার আব্দুল মুমিত বলেন, আমি নিয়মিত অফিস করি। গতকাল পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক স্যার না থাকায় আমাকে অনেক কাজ করতে হয়েছে, তাই লাঞ্চে গেছি দেরিতে। শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করতে গিয়ে যদি নিউজ হয়, তো আর কি করার!

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক শিক্ষার্থী আমার কাছে দ্রুত সার্টিফিকেট নিতে আবদার করে, আমি আবদার রাখতে না পারলে খারাপ হয়ে যায়।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস.এম গোলাম হায়দার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন ও নতুন সার্টিফিকেট প্রদানের ক্ষেত্রে একটি মাত্র প্রিন্টার ও একজন প্রোগ্রামর থাকায় মুমিতের উপর চাপ হয়ে যায়। তাই সে মাঝেমধ্যে একটু রেস্ট নেয়, অনেকসময় কাজের চাপের কারণে নির্ধারিত সময়ে মধ্যাহ্ন ভোজ করতে পারে না, তাই অফিসে পাওয়া যায় না। আমরা আরেকটি প্রিন্টারের জন্য আবেদন করেছি, পাশাপাশি আরেকজন প্রোগ্রামার না হলেও একজন ভালো কম্পিউটার অপারেটর পেলে এই জটিলতা হ্রাস পাবে বলে আশা করি।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণের বিষয়ে গোলাম হায়দার বলেন, আমার দেখা চোখে সে ছেলে ভালো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

More News Of This Category
2504_jugokatha
© All rights reserved © 2026
IT Support By : JUGOKATHA