বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোপালগঞ্জ  টুঙ্গিপাড়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে ফায়ার সার্ভিসের মহড়া গোপালগঞ্জে ২৫ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার, মামলা দায়ের এমপি কে এম বাবরের: বন্ধ হওয়া কালিপূজার মেলা চালুর ঘোষণা দিলেন গোপালগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য আয়োজনে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিলো গোবিপ্রবি প্রশাসন গোপালগঞ্জে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত টুঙ্গিপাড়ায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত, গোবিপ্রবিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের নবীনবরণে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ পেলেন সম্মানজনক ‘বিপিএম-সেবা’ পদক গোপালগঞ্জে ডিবির পৃথক অভিযানে অস্ত্র, বিপুল চোরাই মালামাল ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

টুঙ্গিপাড়ায় গ্রামীন পানি সমিতির লোহার পাইপ বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ

  • Update Time : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫.৩২ পিএম
  • ৪৭৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি ইউনিয়ন গ্রামীন পানি সমিতির মালিকানাধীন পুরাতন লোহার পাইপ বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী কোনো ধরনের খোলা নিলাম বা টেন্ডার (দরপত্র), মাইকিং অথবা কোন বিজ্ঞাপন ছাড়াই মাত্র একজন ক্রেতার কাছে পাইপগুলো বিক্রি করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পানির প্ল্যান্টের কর্মচারী জানান, পাইপগুলো পুরাতন হলেও এর সর্বনিম্ন বাজারমূল্য কমপক্ষে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু কী দামে এবং কী প্রক্রিয়ায় বিক্রি করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পাইপ বিক্রির বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা আরিফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আমরা জানি সরকারি কোন মালামাল নিলাম অথবা মাইকিং ছাড়া বিক্রি হয় না। আমরা ইউনিয়ন পরিষদের কাছে থেকেও কোন মাইকিং, খোলা নিলাম অথবা টেন্ডার(দরপত্র)কথা জানতে পারিনি।

এ বিষয়ে পানি সমিতির সভাপতি পাটগাতি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুবাষ বিশ্বাস বলেন, সকল সদস্যের স্বাক্ষরের মাধ্যমে রেজুলেশন করে ৬০ হাজার টাকায় পাইপ বিক্রি করা হয়েছে। অথচ তিনি জানেনই না কত ইঞ্চি পাইপ বিক্রয় করা হয়েছে এবং কত পিস ছিল। তিনি দাবি করেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীকে জানিয়ে পাইপ গুলো বিক্রি করা হয়েছে।

তবে পানি সমিতির সদস্য সচিব ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহিদ মোল্লা ভিন্নমত পোষণ করে বলেন,আমরা এভাবে বিক্রি করে ভুল করেছি, এটা আইন সংগতভাবে বিক্রি করা হয়নি।

পানি সমিতির বিল ক্লার্ক আমজাদ হোসেন বলেন,বিজ্ঞাপন দিয়েই পাইপ বিক্রি করা হয়েছে। তার কাছে রেজুলেশন এর কপি এবং বিজ্ঞাপনের পত্রিকার কপি দেখতে চাইলে তিনি বলেন এগুলো আমি দেখাতে বাধ্য নয়,আপনারা প্রয়োজনে নিউজ করেন। এছাড়া আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে মোটা অংকের টাকা নিয়ে পানির লাইনের সংযোগ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

পাইপ বিক্রি প্রসঙ্গে পানি সমিতির সদস্য নজরুল শেখ অভিযোগ করে বলেন,আমি কোনো রেজুলেশনে স্বাক্ষর করিনি। পাইপ বিক্রিতে স্পষ্ট অনিয়ম হয়েছে।”

এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, গ্রামীণ পানি সমিতির উপদেষ্টা প্রদীপবাবু জানান,রেজুলেশন করে পাইপ বিক্রি করা যায়। পাইপগুলো আমাকে জানিয়ে বিক্রি করেছে। তবে সকল সদস্য যদি রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর না করে দ্বায়ভার সমিতির।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ বিষয়ে বলেন,সরকারি কোনো জিনিস বিক্রি করতে হলে অবশ্যই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করতে হবে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর মাধ্যমে পাইপগুলো এনে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করার ব্যবস্থা করব।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

More News Of This Category
2504_jugokatha
© All rights reserved © 2026
IT Support By : JUGOKATHA