বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোপালগঞ্জ  টুঙ্গিপাড়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে ফায়ার সার্ভিসের মহড়া গোপালগঞ্জে ২৫ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার, মামলা দায়ের এমপি কে এম বাবরের: বন্ধ হওয়া কালিপূজার মেলা চালুর ঘোষণা দিলেন গোপালগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য আয়োজনে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিলো গোবিপ্রবি প্রশাসন গোপালগঞ্জে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত টুঙ্গিপাড়ায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত, গোবিপ্রবিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের নবীনবরণে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ পেলেন সম্মানজনক ‘বিপিএম-সেবা’ পদক গোপালগঞ্জে ডিবির পৃথক অভিযানে অস্ত্র, বিপুল চোরাই মালামাল ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

গোপালগঞ্জের দুই শিক্ষক প্রাইভেট এবং গাইডবই অবৈধ হলেও পড়াবেন বলে সাংবাদিকদের চ্যালেঞ্জ করলেন

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০.০৬ পিএম
  • ১২৭ জন সংবাদটি পড়েছেন

যুগকথা রিপোর্টারঃ
‌জেলা শহরে অবস্থিত গোপালগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাফিজুর রহমান এবং মো: শুকুর আহমেদের বিরুদ্ধে বিদ্যালয় কক্ষে প্রাইভেট পড়ানোসহ গাইড বই ক্রয়ে নির্দেশ দেয়া ও পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
ওই দুই সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার পর বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে সাংবাদিকরা গোপালগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে অভিযোগ সম্পর্কে সরেজমিন তদন্ত করতে গেলে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হন। তদন্তকালে সাংবাদিকরা শিক্ষক হাফিজুর রহমান শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াচ্ছেন এমন ছবি তুলতে সক্ষম হন। এসময় অপর শিক্ষক মো: শুকুর আহমেদ অন্য কক্ষে প্রাইভেট পড়াচ্ছিলেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি দৌড়ে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। তখন ঘড়ির কাটায় ৯ টা ৪৯ মিনিট।
শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের অভিযোগ ওই দুই শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট না পড়লে এবং কথামতো গাইড বই না কিনলে শ্রেণিকক্ষে বৈষম্যমুলক আচরন করেন এবং পরীক্ষার উত্তর পত্রে নম্বর কমিয়ে দেন।
এসব ব্যাপার নিয়ে ওই দুই শিক্ষক সম্পর্কে বিদ্যালয়টির সহকারী প্রধান শিক্ষক তরুন কান্তি বালার সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ে প্রাইভেট পড়ানো এবং গাইড বই আনা এবং পড়ানো নিষিদ্ধ। ওই দুই শিক্ষককে বারবার বলা হলেও তারা আমার বা প্রধান শিক্ষকের কথা শোনেননা।
সাংবাদিকরা যখন সহকারী প্রধান শিক্ষকের সাথে আলাপ করছিলেন তখন অভিযুক্ত সহকারি শিক্ষক হাফিজুর রহমান এবং মো: শুকুর আহমেদ একযোগে সহকারী প্রধান শিক্ষককে উপেক্ষা করে চিৎকার দিয়ে বলতে থাকেন, আপনারা বিদ্যালয়ে কি করা হয় তা দেখার কে। আমরা প্রাইভেট পড়াই, না গাইড পড়াই, তা দেখার লোক আছে। তারা মানা করেনা,আপনারা মানা করেন কেন? আমরা প্রাইভেট পড়াবো,গাইড পড়াবো, পারলে আপনারা ঠেকান। এখনই লেখেন, দেখি কে বন্ধ করতে আসে। যদি কিছু পারেন আমাদের বিরুদ্ধে করে দেখিয়েন।
এসময় সহকারী প্রধান শিক্ষক তরুন কান্তি উত্তেজিত দুই সহকারী শিক্ষককে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলেও ওই দুই শিক্ষক চিৎকার চেচামেচি অব্যাহত রাখেন।
পরে বিষয়টি সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: সেলিম তালুকদারকে অবহিত করলে এবং অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে প্রমানাদি হস্তান্তর করলে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন সাংবাদিকদের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

More News Of This Category
2504_jugokatha
© All rights reserved © 2026
IT Support By : JUGOKATHA