মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন

গোবিপ্রবি’তে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১২.৫৩ পিএম
  • ৯৭ জন সংবাদটি পড়েছেন

গোবিপ্রবি, প্রতিবেদকঃ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
এদিন সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ শহরের শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখরের নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। পরে সকাল ১১টায় একাডেমিক ভবনের ৫০১ নম্বর কক্ষে ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ও উদ্যাপন কমিটির সভাপতি ড. মো. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, আজকের মহান স্বাধীনতা দিবসে স্মরণ করছি যারা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে এবং দেশের উন্নয়নে যারা অবদান রেখে চলেছে। অনেক কষ্টার্জিত স্বাধীনতা সত্ত্বেও আমাদের মধ্যে এক ধরনের দৈন্যতা রয়েছে, যেকারণে আমরা সবকিছু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলি। অথচ ফিলিস্তিনের মতো জাতি বোঝে স্বাধীনতার গুরুত্ব কতোটা। মুক্তিযুদ্ধের সময় যে জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগ্রত হয়েছিলো এবং বর্তমানে যে জাতীয়তাবাদী শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় রয়েছে, তাদের কাছে আমাদের অনেক প্রত্যাশা। আমরা বিশ্বাস করি, সম্মিলিতভাবে কাজ করে তারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, এমন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে সত্যি আবেগে আপ্লুত হতে হয়। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এই দেশ। তবে ভীষণ কষ্ট লাগে। আমরা তাদের ভুলতে বসেছি। যদি মহান সেই মানুষগুলোর অবদান মনে থাকতো, আমরা ব্যক্তিস্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত হতাম না। আমরা মানবীয় গুণাবলিতে ঋদ্ধ হতাম। আমাদের শেকড় ভুলে গেলে চলবে না। সার্বভৌমত্ব রক্ষায়, উন্নত দেশ গড়তে জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণে রেখে আমাদের দেশের জন্য কাজ করে যেতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান বলেন, ৪৭ এর দেশভাগের পর ৫২’র ভাষা আন্দোলন; এর পর আমাদের এই অঞ্চলে এক ধরনের জাগরণ দেখা যায়। যার ধারাবাহিতায় মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়। তবে এখন অবধি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নির্ধারিত হয়নি। অথচ ইতিহাস নির্ধারিত না হলে জাতির দর্শন থাকে না। সেকারণে আমাদের দল-মত নির্বিশেষে সহনশীল হতে হবে। যার যা কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এতে করে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের আশা-আকাক্সক্ষার বাস্তবায়ন ঘটবে।
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মজনুর রশিদের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য দেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন মুহাম্মদ রবি উল্লাহ, প্রক্টর ড. এস এম আহসান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক গাজী মোহাম্মদ মাহবুব, রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান।
এ সময় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

More News Of This Category
2504_jugokatha
© All rights reserved © 2026
IT Support By : JUGOKATHA