শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কোটালীপাড়ার সড়কে কলেমা লিখা পতাকার বহর, শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা টুঙ্গিপাড়ায় ঋণের চাপ সইতে না পেরে প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা আমি ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা নই। টুঙ্গিপাড়ায় শাশুড়ির নির্মম নির্যাতনে গৃহবধূ সুমি ঠাঁই হলো বাবার বাড়িতে গোপালগঞ্জে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিজ্ঞান ও মহাকাশ বিষয়ক সংলাপে – জেলা প্রশাসক দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে গোপালগঞ্জে সচেতনতামূলক র‍্যালি গোপালগঞ্জে জমি দখলদার ও মাদক ব্যবসায়ীদের ছাড় নেই: এমপি ডা. বাবর” টুঙ্গিপাড়ায় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে থ্রী স্টার অর্গানাইজেশনের র‍্যালি ও আলোচনা সভা। গোপালগঞ্জে প্রেমিককে ডেকে নিয়ে স্বামীকে দিয়ে মারপিট করে  গোপালগঞ্জে আলাদীনের চেরাগের ওপর নাম তুহিন

গাজীপুর স্ত্রী,তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যা,স্বামী পালাতক

  • Update Time : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৫.৪৫ পিএম
  • ১৪০ জন সংবাদটি পড়েছেন

যুগকথা রিপোর্টঃ

গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রী, তিন কন্যাসন্তান ও শ্যালককে হত্যার পর ঘটনাস্থলেই লিখিত অভিযোগপত্র রেখে পালিয়ে গেছেন অভিযুক্ত ফোরকান মিয়া। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আতঙ্ক ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাতে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের রাউৎকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন ফোরকান মিয়া। সেই বাসাতেই সংঘটিত হয় নৃশংস এ হত্যাকাণ্ড।
নিহতরা হলেন ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন খানম (৪০), তাদের তিন মেয়ে মিম (১৬), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২), এবং ফোরকানের শ্যালক রসুল (২২)। নিহত শারমিন খানম গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইকান্দি গ্রামের মো. শাহাদাত মোল্যার মেয়ে।
ঘটনার পর পাঁচটি লাশের ওপর কম্পিউটারে টাইপ করা পাঁচটি অভিন্ন অভিযোগপত্র পাওয়া যায়। অভিযোগপত্রগুলো গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর লেখা বলে উল্লেখ রয়েছে।
অভিযোগপত্রে ফোরকান মিয়া দাবি করেন, তার স্ত্রী শারমিন খানম তার উপার্জিত প্রায় ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে বাবার বাড়িতে জমি কিনেছেন। পাশাপাশি তিনি তার খালাতো ভাই রাজু আহমেদের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়।
লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিষয়টি জানাজানি হলে দাম্পত্য সম্পর্কে চরম অবনতি ঘটে। গত ৫ মে শারমিন খানম ও কথিত প্রেমিক রাজু আহমেদ মিলে তাকে মারধর করেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালীগঞ্জ সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া অভিযোগপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে গোপালগঞ্জ থানায় জমা দেওয়া হয়েছিল কিনা, নাকি এটি শুধুই একটি চিরকুট—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর ফোনে নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করে পালিয়ে যান ফোরকান মিয়া। ঘটনার পর থেকেই তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
এদিকে, একসঙ্গে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। হত্যার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

More News Of This Category
2504_jugokatha
© All rights reserved © 2026
IT Support By : JUGOKATHA