এ জেড আমিনুজ্জামান রিপন :
গতকাল বুধবার (২৫শে ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার সময় গোপালগঞ্জ জেলার কোল ঘেঁষা বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট উপজেলার সিংগাতি গ্রামে এ লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে।
এ ব্যপারে মৃত বাঁশি চৌধুরীর ছেলে অছিকার চৌধুরী বাদী হয়ে মোল্লারহাট থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগে পাওয়া যায়, গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তার নিয়া ভুক্তভোগী ও এরশাদ বাহিনীর সাথে পূর্ব শত্রুতা দীর্ঘদিন যাবৎ চল আসছে। মামলা মোকদ্দমা চলমান। উক্ত শত্রুতার জের ধরে গত ২৫/০২/২০২৬ তারিখ সন্ধ্যার পর এরশাদ চৌধুরী তার বাহিনী নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ভুক্তভোগী পরিবারের সবাইকে আগুনে পুড়াইয়া হত্যার উদ্দেশ্যে তাদের বসত বাড়ি সহ গোয়াল ঘরর পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এজাহারে আরো পাওয়া যায়, ঘরে থাকা ছোট ভাইয়ের পরিবারের সদস্যরা দৌড়ে বাহির হয়ে জীবন বাঁচায়।
এজাহারে আসামী করা হয় সিংগাতি এলাকার সন্ত্রাস মৃত হাকিম চৌধুরী ছেলে এরশাদ (৫৫), এরশাদ চৌধুরীর ছেলে(২৮) দ্বীন ইসলাম (৩০), এরশাদ চৌধুরীর ছেলে হোসেন, আহাদ আলী চৌধুরীর ছেলে শফিকুল ইসলাম টুটুল (৪০), আহাদ আলী চৌধুরীর ছেলে শিব্বির চৌধুরী (৩৮), মোশারেফ চৌধুরীর ছেলে তাইজুল চৌধুরী (৪৫),মোশারেফ চৌধুরীর ছেলে মুশফিক (৪৮), সাহেব আলী চৌধুরীর ছেলে মুকুল (৪৬), সাহেব আলী চৌধুরীর ছেলে ইকলিম (৩৬), মুকুল চৌধুরীর ছেলে তালহা (২৮), তকু চৌধুরীর ছেলে জাকির (৪৪), বতু চৌধুরীর ছেলে ইউসুফ (৩৫), ইউসুফ চৌধুরীর ছেলে রিফাত (২৪), জানু চৌধুরীর ছেলে আনোয়ার (৩৮), কাবির চৌধুরীর ছেলে বিপ্লব (৩৬), ইউসুফ চৌধুরীর ছেলে রমজান (৩০), গোলাম চৌধুরীর ছেলে হামিম (২৬) নামধারী ও অজ্ঞাত ৫/৬ জন।
এসময় সন্ত্রাসীরা গোয়ালে থাকা গরু-বাছুর নিয়ে যায়। মোল্লাহাট ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসে ঘরের আগুন নিভাতে সক্ষম হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের বড়ো ছেলে ও এজাহারের বাদী অসিকার চৌধুরীর গণমাধ্যমে বলেন, রমজানের ইফতারি করে নামাজ পড়তে আমরা সবাই ব্যস্ত, ঠিক সেই মুহূর্তে এরশাদ চৌধুরী তার বাহিনী নিয়ে আমাদের ঘরে আগুন দেয়। ওরা আমাদের গোয়ালের গরু-বাছুর নিয়ে যায়। সন্ত্রাসীদের সাথে আমাদের পূর্বে থেকেই শত্রুতা রয়েছে। আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এসময় তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেন।