
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জে হঠাৎ করেই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নেতাকর্মীদের পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে। গোপালগঞ্জ জেলার মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে টুঙ্গিপাড়া ও মুকসুদপুর উপজেলায় দলটির মোট ১৩ জন নেতাকর্মী পদত্যাগ করেছেন। আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের এই গণ-পদত্যাগ এখন জেলার টক অব দ্য টাউন এ পরিণত হয়েছে।
আজ শনিবার বিকালে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জরুরী সংবাদ সম্মেলন করে ১৭নং জলিরপাড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দশ নেতৃবৃন্দ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে একযোগে পদত্যাগ করেছেন।
আজ শনিবার বিকাল ৫ টায় দক্ষিণ জলিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে জরুরী এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা সকলেই একযোগে স্বেচ্ছায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগকারী নেতারা হলেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সাগর বাগচী, একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি রুহুল আমীন শেখ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অভি বাগচী ও বিদ্যুৎ বাগচী, সাধারণ সম্পাদক নরেশ গোলদার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শ্যামল বাগচী, সদস্য শিশির বাগচী, হরিচাদ বাগচী, নারায়ণ গোলদার ও রনজন গাইন।
সংবাদ সম্মেলনে দশ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জলিরপাড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সাগর বাগচী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জলিরপাড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সাগর বাগচী বলেন, আজ শনিবার থেকে আমরা সকলে একযোগে আওয়ামী লীগের সকল পদ-পদবি ও কর্মকাণ্ড থেকে অন্যের বিনা প্ররোচনায় স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিলাম।
এর আগে শনিবার বিকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আরো তিন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগ করেন তারা হলেন, টুঙ্গিপাড়া পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি মো. আরিফুল হক, কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিম শরীফ।