চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া আল হেলাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. এনামুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে এ-সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়। এদিকে অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহীন্দ্র কুমার মণ্ডল স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়, গত ৩ নভেম্বর পুলিশ এনামুল হককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। এ কারণে সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন প্রচলিত বিধি অনুযায়ী তিনি খোরাকি ভাতা পাবেন।
এর আগে গত সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিদ্যালয় থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয় লোকজন তাঁকে বিদ্যালয়ের ভেতরে আটকে রাখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।
এদিকে, ঘটনায় ছাত্রীর বাবা আলমডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটকের পর ছাত্রীর বাবার দায়ের করা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলা উদ্দিন বলেন, শিক্ষকের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কাম্য নয়। অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহীন্দ্র কুমার মণ্ডল জানান, প্রাথমিক তদন্তে এনামুল হককে অপরাধী বলে মনে করা হয়েছে। এ কারণে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে
সম্পাদক : শেখ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, গোপালগঞ্জ সদর, গোপালগঞ্জ।
অফিস: ০২-৪৭৯৯৬১৪১, মোবাইল: ০১৯১১-৩৩২১৮৫, ইমেইল: mahbubpress66@gmail.com