যুগকথা রিপোর্টারঃ
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে চোরাই মোটরসাইকেলসহ সোহেল শরীফ ও শিমুল সরদার নামে দুইজনকে আটক করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে টুঙ্গিপাড়া থানাধীন একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজ থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকের সময় তাদের কাছ থেকে FZS V3 মডেলের দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আটকরা হলেন—গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার শ্রীরামকান্দি গ্রামের, সোহেল শরীফ (পিতা—কাইয়ুম শরীফ) এবং একই গ্রামের শিমুল সরদার (পিতা—এয়ার আলী সরদার)।
বন্দর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বন্দর থানায় একটি মোটরসাইকেল হারানোর বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এরপর মোটরসাইকেলটির সন্ধানে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন মাধ্যমে অনুসন্ধান চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থানাধীন একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজে চোরাই মোটরসাইকেল নিয়ে কাজ করানো হচ্ছে।
বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বন্দর থানা পুলিশ টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশের সহযোগিতা চায়। পরে টুঙ্গিপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুলের সহযোগিতায় বন্দর থানার পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই গ্যারেজে অভিযান চালায়।
অভিযানকারী দলে ছিলেন উপপরিদর্শক (এসআই) তৌফিক, উপপরিদর্শক (এসআই) পিন্টু, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মঞ্জুর, কনস্টেবল শরীফ ও কনস্টেবল মেহেদী।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থল থেকে সোহেল শরীফ ও শিমুল সরদারকে আটক করা হয়। পরে গ্যারেজে থাকা দুটি FZS V3 মডেলের মোটরসাইকেলের বিষয়ে তারা যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হন বরিশাল থেকে চোরাইকৃত মটরসাইকেল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বন্দর থানার পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘আমাদের থানায় মোটরসাইকেল হারানোর বিষয়ে একটি জিডি করা হয়েছিল। ওই জিডির সূত্র ধরে আমরা মোটরসাইকেলটির সন্ধান করতে থাকি। একপর্যায়ে জানতে পারি, টুঙ্গিপাড়ার একটি গ্যারেজে চোরাই মোটরসাইকেল নিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। পরে টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে দুজনকে দুটি মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়।’
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক অনুসন্ধানে সোহেল শরীফের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে মোটরসাইকেল চুরি এবং চোরাই মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আরও তদন্ত করা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে। পুলিশে সূত্রে জানা যায়
এ ঘটনায় আটক দুজনের বিরুদ্ধে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানায় ৩৭৯ পেনাল কোড ধারায় নিয়মিত মামলা দায়েরের করা হয়েছ। বন্দর থানার মামলা নং-০৫, তারিখ -১১/০৮/২০২৬।
সম্পাদক : শেখ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, গোপালগঞ্জ সদর, গোপালগঞ্জ।
অফিস: ০২-৪৭৯৯৬১৪১, মোবাইল: ০১৯১১-৩৩২১৮৫, ইমেইল: mahbubpress66@gmail.com