স্টাফ রিপোর্টারঃ
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তবর্তী এলাকার বারাদি থেকে ৩৯ পিস সোনার বারসহ এক পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি। অবৈধভাবে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে সোনার বারগুলো নেওয়া হচ্ছিল সীমান্তবর্তী এলাকায়। উদ্ধার বারগুলোর ডিজিটাল স্কেলে ওজন করে ৬ কেজি ৯শ' ৬৮ গ্রাম স্বর্ণ জব্দ করা হয়। স্বর্ণের বার আনুমানিক মূল্য ১৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।
শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় দর্শনার বারাদি সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৩৯ পিস সোনার বারসহ রবিউল ইসলাম (৩৪)নামের এক চোরাকারবারিকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ৬ (বিজিবি)। সীমান্তের ৭৮ নাম্বার পিলারের কাছ থেকে এসব সোনার বার জব্দ করা হয়। আটক পাচারকারী রবিউল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানার পারকৃষ্ণপুর- মদনা ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা
চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক ও অধিনায়ক লে. কর্নেল নাজমুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে দর্শনা সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারতে সোনা পাচার হবে। এ সময় চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধীন বিওপির একটি টহল দল ৭৮ নাম্বার পিলারের কাছে অবস্থান নেয়।
আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ টা ২০ মিনিটে মোটরসাইকেলযোগে ৭৮ পিলারের কাছাকাছি বিওপির সামনের সড়কে পৌঁছালে সন্দেহভাজন রবিউল ইসলামকে ওই টহলদল থামায়। এ সময় স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে স্বর্ণ বহন করার কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেহ তল্লাশি করে টেপ দিয়ে মোড়ানো একটি প্যাকেট থেকে ৩৯ টি অবৈধ স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। এ ছাড়া আটক ব্যক্তির কাছ থেকে মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান জানান, জব্দ করা সোনার বার ও অন্যান্য মালামাল যথাযথ প্রক্রিয়ায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
সম্পাদক : শেখ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, গোপালগঞ্জ সদর, গোপালগঞ্জ।
অফিস: ০২-৪৭৯৯৬১৪১, মোবাইল: ০১৯১১-৩৩২১৮৫, ইমেইল: mahbubpress66@gmail.com