সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টুঙ্গিপাড়ায় সচিবের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত শুরু গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর বিদ্যালয় এন্ড কলেজে ১৪ জন শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ১জন পাশের হার শূন্য জামাত ইসলামের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ: গোপালগঞ্জে পথসভায় ডা. শফিকুর রহমান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী • ৫১ দেশের সঙ্গে সাংস্কৃতিক কূটনীতিতে ঐতিহ্য তুলে ধরবে সরকার টুঙ্গিপাড়ায় চুরির অভিযোগে ছাত্রদল সভাপতি গ্রেপ্তার কোটালীপাড়ায় হাতধোয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত গোবিপ্রবির আন্তঃবিভাগ দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি বিভাগ গোবিপ্রবির দুই ছাত্রী হলে চুরি, নিরাপত্তায় অবহেলার অভিযোগ দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান, কাশিয়ানী পৌরসভা হওয়ার পথে  জাপানে চাকরির প্রলোভনে ১৬ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ, আদালতে মামলা

গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর বিদ্যালয় এন্ড কলেজে ১৪ জন শিক্ষক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ১জন পাশের হার শূন্য

  • Update Time : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২.৪০ পিএম
  • ২৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

যুগকথা রিপোর্টারঃ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার দুর্বাশুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে ১৪ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নিয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। তবে তিনিও পাস করতে পারেন নাই। ফলে কলেজটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

গত শনিবার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এ চিত্র দেখা গেছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির নাম।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মানবিক বিভাগে একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে কোনো পরীক্ষার্থী ছিলেন না। প্রকাশিত ফলাফলে একমাত্র পরীক্ষার্থীও অকৃতকার্য হয়েছেন।

১৯৯৮ সালে দুর্বাশুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৯ সালে চালু করা হয় কলেজ শাখা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির স্কুল বিভাগে ১৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। তাদের সবাই এমপিওভুক্ত এবং বেতন-ভাতা সঠিক ভাবে পাচ্ছেন। কলেজ শাখায় বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ চালু থাকলেও শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে রয়েছে চরম সংকট।

প্রতিষ্ঠানটির স্কুল শাখার প্রধান শিক্ষক স্বর্ণা রানী বিশ্বাস বলেন, কলেজটি গ্রামীণ এলাকায় হওয়ায় ছাত্র তেমন পাওয়া যায় না। এ জন্য শিক্ষকরাও কলেজে আসেন না। শিক্ষার্থী ভর্তির ব্যাপারেও তাদের কোনো উৎসাহ নেই।

তিনি জানান, কলেজে শিক্ষার্থী বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। এ জন্য প্রতিবছর নিজের পকেট থেকে টাকা খরচ করছেন। এলাকাবাসী জানান, ১৪ জন শিক্ষক একজন পরীক্ষার্থী কে সঠিক ভাবে পড়াশোনার দিকে লক্ষ্য করলে এধরনের আপত্তিকরজন ঘটনা ঘটতো না। এজন্য এলাকাবাসী মনে করেন যে, এজন্য দায়ী সম্পূর্ণ শিক্ষকবৃন্দ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

More News Of This Category
2504_jugokatha
© All rights reserved © 2026
IT Support By : JUGOKATHA